Skip to content
Read Tips And tricks in Bengali.
No Image Available

Megh Boleche Jabo Jabo PDF (মেঘ বলেছে যাব যাব) by Humayun Ahmed

 Author: Humayun Ahmed  Category: Bengali Novel  Publisher: Abosor Prokashoni  Pages: 248  Country: Bangladesh  Language: Bengali  File Size: 11.03  Tags:Humayun Ahmed | Megh Boleche Jabo Jabo |
 Description:

Megh Boleche Jabo Jabo PDF (মেঘ বলেছে যাব যাব) is a famous romantic novel written by Humayun Ahmed. This is a contemporary novel. It was published in 1997. It was published by Abosor Prokashoni.

The novel revolves around a middle-class family. The basis of some unequal relationships can be found in the story.

The first idea from the plot of the book is the story of the daily life of a middle-class family and the difficult form of reality. The main character in the Megh Boleche Jabo Jabo is Hasan.

He is an unemployed youth. Hasan’s two brothers name is Tareq and Rakib, Sister’s name is Laila and Bhabhi Rina. Hasan’s nephew’s names are Tugger and Palash. He was living with his mother-father. And in a line, it is a very happy and smiling family.

This beautiful picture of his family is depicted at the beginning of the book. In the family of brother Tarek and Bhabi Reena, he lives as an unemployed person. Although Hasan has a job, he works to write a biography of Hishamuddin, the owner of Hishamuddin Company.

Megh Boleche Jabo Jabo Review

The love aspect of Hasan-Titli is observed in the first part of the book. Hasan once loved a neighbor butterfly but for some strange reason, he could not be easy to her. Through Titli’s family, the author tells the story of a middle-class family. Hassan could not take the MA exam due to an accident.

He loves the butterfly girl very much, just like the girl T loves him very much. Hasan goes to Hishammuddin for a job but he can’t say because he is ashamed. There he works one hour every Wednesday at Hashimuddimpur. His job is to write down what Hasimuddin will say.

The butterfly family is lower middle class. Among the three sisters, Titli is a student of Jagannath College and her elder sister Nadia is a student of Tukho. Butterfly’s father Matin doesn’t do much.

One day, when Titli got married and Hasan gets disappointed. On the other hand, there is a complication about his brother Tarek and Reena. After living together with the two boys for nine long years, complications arose between them centering on Laboni, an office typist. Rina leaves the family. He cannot accept the arrival of a third person about them.

Click Here To Download Megh Boleche Jabo Jabo PDF

Titli is married to Shawkat, a young rich lecturer in Zoology at DU. Titli could not accept Shawkat at first but after a certain time, she continues with Shawkat.

On the other hand, Mr. Hasimuddin died and Chitralekha took charge of his company. He leaves Hasan to write like his father. At one time he liked Hasan very much but he never revealed it.
Hassan’s brother Rakib goes bad, which is why he has to be killed in the end that no one knows but Hassan. At one point, Hassan died of a brain tumor.

Titli gets married to Shawkat, which is the hardest part of this story. Also through the destruction of Reena’s dreams and beautiful family, various incidents of Hishamuddin Sahib serve as the hard reality of this story.

Interesting Part

There is more to this story, not just the story of the lack of a middle-class family. There is the depth of love, friendship, and many more unnamed relationships. Hasan, the main character of the story, can take place in everyone’s mind with endless love, where he loses his lack of money.

The beginning of the story is with Hasan, the end is with Hasan but in the last part the impression of depression.

Thousands of relationships of thousands of characters in the story, it is a very emotional relationship. Hasan-Titli, Hasan-Chitralekha, Shawkat-Titli, Tarek-Rani are one of the consequences of one’s relationship. The author is changing the reader’s emotions with these relationships. Sometimes made the reader’s mind optimistic, sometimes frustrated, or sometimes angry.

Humayun Ahmed

Humayun Ahmed is a famous playwright, novelist, lyricist, and filmmaker. Mr. Ahmed was born on November 13, 1948, in Netrokona District and died on July 19, 2012, at Bellevue Hospital, New York. He is one of the greatest writers since independence.

মেঘ বলেছে যাবো যাবো হুমায়ুন আহমেদ এর একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। এটি সমকালীন উপন্যাস। উপন্যাসটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে ঘিরে। কিছু অসম সম্পর্কের ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যাবে গল্পে। এন টি ভি তে এই উপন্যাসের উপর একটি নাটক পরিচালিত হয়।

বইটির প্লট থেকে প্রথমেই যে ধারণা পাওয়া যায় তা হলো, একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের কাহিনী এবং বাস্তবতার কঠিন রুপ।

বইটির মূল চরিত্রে যে ব্যাক্তি টি রয়েছে তার নাম হলো হাসান। সে এক বেকার যুবক। হাসান এর দুই ভাই তারেক আর রকিব ; বোনএর নাম লায়লা আর ভাবি রিনা, ভাতিজা -টগর আর পলাশ এবং মা -বাবা নিয়ে খুব আনন্দ এবং হাস্যোজ্জল একটি পরিবার।আর তার বড় বুবুর বিয়ে হয়ে গেছে।

মেঘ বলেছে যাবো যাবো বইয়ের শুরুতে তার পরিবারের এই সুন্দর ছবিটি চিত্রিত হয়েছে। ভাই তারেক আর ভাবি রীনার সংসারে সে থাকে বেকার একজন ব্যক্তি হিসেবেই। যদিও হাসানের একটা চাকরি আছে, হিশামুূদ্দিন কোম্পানির মালিক হিশামুদ্দীন সাহেবের জীবনী লেখার কাজ করে সে।

মেঘ বলেছে যাবো যাবো উপন্যাস সংক্ষিপ্ত রিভিউ

হাসান -তিতলির ভালোবাসার দিকটি বইয়ের প্রথম অংশেই পরিলক্ষিত হয়। একসময় প্রতিবেশী তিতলিকে ভালোবাসে হাসান কিন্তু কোন এক অদ্ভুত কারণে সে তিতলির কাছে সহজ হতে পারে না। তিতলির পরিবারের মাধ্যমেই লেখক এক মধ্যবিত্ত পরিবারের কাহিনি ফুটিয়ে তুলেছে।বেকার হাসান এক্সিডেন্ট জনিত কারণে এমএ পরীক্ষা দিতে পারে নি।

এমন কি প্রিয় ছাত্রী সুমির টিউশনটিও হাতছাড়া হয়ে যায়। তিতলি মেয়েটিকে সে খুব ভালোবাসে, তেমনি মেয়ে টি ও তাকে খুব ভালোবাসে। হাসান একটা চাকরির জন্য হিশামুূ্দ্দীন এর কাছে যায় কিন্তু লজ্জায় সে বলতে পারে না।

হাশিমুূূদ্দীমপর ওখানে সে প্রতি বুধবার কাজ করে এক ঘন্টা করে। তার কাজ হলো হাসিমুূ্ূদ্দীন যা বলবে তা লিখে রাখা। প্রতি ঘন্টায় তাকে ৬০০টাকা দেওয়া হবে।

তিতলির পরিবার নিম্ন মধ্যবিত্ত। তিন বোনের মধ্যে তিতলি জগন্নাথ কলেজে পড়ে আর মেজো বোন নাদিয়া তুখোর ছাত্রী। তিতলির বাবা মতিন তেমন কিছুই করে না।

পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করুন

একদিন হঠাৎ তিতলির বিয়ে হয়ে গেলে হাসান দিশেহারা হয়ে যায়। আবার অন্য দিকে তার ভাই তারেক আর রিনার সম্পর্কে জটিলতার সৃষ্টি হয়। গল্পে তারেক আর রিনার সম্পর্কে যে বিষয়টি পরিলক্ষিত করার মতো তা হলো, তারেক আর রীনার সম্পর্কের জটিলতার সৃষ্টি।

দুই ছেলেদের নিয়ে দীর্ঘ নয় বছর একাসাথে সংসার করার পর ও তাদের সম্পর্কে জটিলতার সৃষ্টি হয় অফিসের টাইপিস্ট লাবণীকে কেন্দ্র করে। সংসার ফেলে চলে যায় রিনা। তাদের সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন সে মেনে নিতে পারে না।

তিতলির বিয়ে হয় ঢাবির জুয়োলোজির ইয়াং ধনী লেকচারার শওকত এর সাথে। কিন্তু তিতলি শওকতকে মেনে নিতে পারে নি প্রথম দিকে। পরবর্তীতে সে নিজেকে সপে দেয় নিজেকে।

অন্যদিকে হাসিমুদ্দীন সাহেব মারা যায়, তার এই কোম্পানি দেখাশোনা করার দায়িত্ব নেয় চিত্রলেখা। সে হাসানকে রেখে দেয় বাবার মতোই কথা লেখার জন্য। একটা সময় তিনি ও হাসান কে খুব পছন্দ করে ফেলেন কিন্তু সেটা তিনি কখনোই প্রকাশ করেননি।

হাসানের ভাই রকিব খারাপ দিকে চলে যায়, যার কারণে তাকে শেষে খুন হতে হয় যে বিষয়টি হাসাম ছাড়া আর কেউ জানে না। একটা সময় হাসান ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে চির বিদায় গ্রহন করে এই পৃথিবী থেকে।

তিতলির বিয়ে হয়ে যায় শওকতের সাথে, যেটা এই গল্পের সব চাইতে কঠিনতম দিক। এছাড়া রীনার স্বপ্ন ও সুন্দর সংসার ধ্বংসের মাধ্যমে, হিশামুদ্দীন সাহবের বিভিন্ন ঘটে যাওয়া ঘটনা এই গল্পের কঠিন বাস্তব হিসাবেই কাজ করে।

উপন্যাসের বিশেষ দিক

মেঘ বলেছে যাবো যাবো (Megh Boleche Jabo Jabo) গল্পের মধ্যে আরও কিছু বিষয় রয়েছে, শুধু একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের অভাব অনটনের কাহিনি নয়, রয়েছে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব আরও নাম না জানা অনেক সম্পর্কের গভীরতা। গল্পের মূল চরিত্র হাসান অবিরাম ভালোবাসা দিয়ে সবার মনে স্থান করে নিতে পারে, সেখানে তার টাকার অভাব হেরে যায়।

কাহিনীর শুরু টা হয় হাসান কে দিয়ে,তেমনি শেষ ও হয় হাসানকে দিয়ে কিন্তু শেষ অংশে বিষন্নতার ছাপ।

গল্পে হজারো চরিত্রের হাজারো সম্পর্ক,বেশ আবেগের সম্পর্কই বটে। হাসান – তিতলী, হাসান – চিত্রলেখা, শওকত- তিতলী, তারেক-রানী এক এক সম্পর্কের এক এক পরিণতি। লেখক তাদের এই সম্পর্ক গুলো দিয়ে পাঠকের আবেগ পরিবর্তন করছেন। কখনো পাঠকের মনকে আশাবাদী করেছেন, কখনো হতাশ বা কখনো ক্রুদ্ধ করেছেন। তাই কোন চরিত্র কে ঘৃণা করা যায় না সম্পূর্ণভাবে। চরিত্র গুলো সৃষ্টি করেছেন দোষ গুণ মিলিয়ে।

হুমায়ূন আহমেদ

হুমায়ূন আহমেদ একজন বিখ্যাত নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, গীতিকার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। তার জন্ম ১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলায় এবং মৃত্যু ১৯জুলাই, ২০১২,বেলভ্যু হাসপাতাল, নিউইয়র্ক। তিনি স্বাধীনতার পরবর্তী অন্যতম শ্রষ্ঠ লেখক। তিনি তার বহুমাত্রিক সৃষ্টির জন্য নানা পুরস্কারে ভূষিত হন।

জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে হিমু, মিসির আলি অমনিবাস, অপেক্ষা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

 Back

All Right Reserved By @TipsWali