save money

ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিণী, কিংবা চাকুরীজীবীদের টাকা জমানোর উপায় বা কৌশল কি? টাকা জমানোর কার্যকরী উপায় জানতে সম্পূর্ণ লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন-

দৈনন্দিন জীবনযাপনের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে আমাদের অর্থ বা টাকা খরচ করতে হয়। ভবিষ্যতের জন্য জমাতেও হয় । আবার খরচ করতে হলে আয় করতেও হয়।

আমরা যতদিন আয় না করি ততো দিন বাবা-মা, ভাই-বোন কিংবা কাছের কারও দেওয়া টাকা দিয়ে আমাদের প্রয়োজন মেটাই। জীবনের কোন না কোন সময় এসে এইভাবে টাকা আর পাওয়া যায় না বা নিতেও ভাল লাগে না। আমাদের দায়িত্ববোধ বেড়ে যায়। ছোট বেলায় আমাদের জন্য যারা পরিশ্রম করে আমদের প্রয়োজন মিটিয়েছে বড় হয়ে আমরাও তাদের জন্য ও নিজের জন্য আবার তাদের মতো আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টাকা ব্যয় করে থাকি বা করার ইচ্ছা পোষণ করি। ভবিষ্যত সবসময় অনিশ্চিত। আজ আছি কয়েক সেকেন্ড পড়ে আমরা যে থাকবো এর গ্যারান্টি কেউই দিতে পারি না। তাই বলে একদম কিছু করা বাদ দিয়েও দেওয়া যাবে না। ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত তবে সত্য। আর আমাদের সেই সময়গুলোর জন্যও প্রস্তুত থাকা উচিত।

অনেকেই ছাত্র অবস্থাতেই নিজে চলার জন্য ও পরিবারের জন্য আয় করার চেষ্টা করে বা করতে হয়। অনেক গৃহিণী মা-বোনেরা সংসারের কল্যানের জন্য কিছু টাকা জমানোর চেষ্টা করে। আবার চাকুরীজীবী মাসের বেতন থেকে কিছু টাকা জমানোর চেষ্টা করে। সকলেরই ইচ্ছা থাকে এই জমানো অর্থ দিয়ে ভবিষ্যতে সে নিজে বা কারও জন্য কিছু একটা করবে।

আসলে আয়ের তুলনায় খরচের খাত বেশি হলে সঞ্চয় করা বা জমানো কতোটা কঠিন তা আমার জানা বাকি নেই। ছোট থাকতেই আম্মুকে দেখেছি কিভাবে সঞ্চয় করার চেষ্টা করেছেন। আবার ছাত্র অবস্থাতেই নিজে টিউশন করে কিছু টাকা আয় করে চলতাম চেষ্টা করেছি কিছু সঞ্চয় করতে। আবার এখন চাকরি করি চেষ্টা করি সামান্য কিছু টাকা জমাতে।

সম্মানিত ভিজিটর আজকের লেখাজুড়ে আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে ও বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যাক্তিদের ভাষ্য মতে ছাত্র, গৃহিণী ও চাকুরীজীবীদের টাকা সঞ্চয় বা জমানোর কৌশল শেয়ার করতে যাচ্ছি।

ছাত্র থাকা অবস্থায় টাকা জমানোর উপায়

স্কুল ছাত্র অবস্থায় আয় করার সুযোগ খুব কম হয়ে থাকে। বিশেষ করে স্কুল কিংবা কলেজে ছাত্রদের। তবে ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্ররা পার্ট টাইম জব, টিউশন ও পার্টটাইম ব্যবসায় করে টাকা আয় করতে পারে। স্কুল ছাত্র অবস্থায় টাকা জমানোর সেরা উপায় হচ্ছে মাটির কিংবা প্লাস্টিকের ব্যাংক কিনে তাতে প্রতিদিনের টিফিনের টাকা হতে কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের নিকট থেকে পাওয়া টিপস কিংবা সেলামির কিছু অংশ জমানো।

কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরা বাবা মায়ের নিকট থেকে পকেট খরচ পেয়ে থাকে চাইলে এ থেকে কিছু টাকা জমানো যেতে পারে। পাশাপাশি অনলাইনে কাজ যেমন- লেখালেখি, নকশী কাথা সেলাই করে বিক্রি, কিংবা হাতে তৈরি জিনিসপত্র তৈরি শিখে তা বিক্রি করে আয় করে কিছু টাকা জমানো যেতে পারে। পাশাপাশি বাহিরে অতিরিক্ত আড্ডা বাজি করে, কিংবা গেমস কিংবা চ্যাটিং এর জন্য ইন্টারনেট খরচ কমিয়ে সেখান থেকে কিছু অর্থ জমানো যেতে পারে।

ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা পার্ট-টাইম জব, ইভেন্ট জব, কিংবা টিউশন করে আয় করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। যেমন- এফিলিয়েট মার্কেটিং, গ্রাফিক্স, এনিমেশন ভিডিও তৈরি, অ্যাপ তৈরি, ওয়েবসাইট ডিজাইন, ব্লগিং এর মাধ্যমে আয় করতে পারে। এই আয় হতে নির্দিষ্ট একটি অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা ব্যাংক একাউন্ট খুলে সেখানে জমাতে পারেন। গ্রামে এই সকল সুবিধা না থাকলে পশু পালন, ছোট খাটো খামার, বায়োফ্লিক্স পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে। এই উপার্জন থেকে কিছু টাকা সঞ্চয় করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ চাকরির ইন্টারভিউ টিপস

গৃহিণীদের টাকা জমানোর কৌশল

যে সকল মেয়েরা বাসায় থাকেন বা স্বামীর সংসারে সময় দিয়ে সংসার আগলে রাখার মতো মহান দায়িত্ব পালন করে থাকে তারাও চাইলে কিছু টাকা জমাতে পারেন।

শহরের মহিলাদের অনেকেই আজকাল কর্মজীবী। গৃহিণীদের আয়ের উৎস না থাকলেও প্রত্যেক দায়িত্ববান স্বামী তার স্ত্রীর খরচের জন্য নির্দিষ্ট টাকা দিয়ে থাকেন। এছাড়া বাজার করার জন্য টাকা স্ত্রীর কাছেই রাখেন। প্রতিদিনের বাজার খরচ হতে সামান্য পরিমাণ বাচিয়ে সেই টাকা জমানো যেতে পারে। আমি ছোটবেলা থেকে আমার আম্মুকে এটি করতে দেখছি। বাসায় বসে নকশী কাথা সেলাই করে বিক্রি, ব্যাগ তৈরি, অনলাইনে পিঠা বা খাবার বিক্রি, ও অন্যান্য হাতের তৈরি সামগ্রী তৈরি করে বিক্রি করে বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে গৃহিণীদের অনালাইনে আয় করার দারুন একটি সুযোগ রয়েছে।

গ্রামের গৃহিণীরা বাড়িতে কয়েকটি গৃহপালিত পশু-পাখি পালন, মাশরুম চাষ, বায়ফ্লেক্স পদ্ধতিতে মাছ চাষ, সবজি কিংবা ফলের বাগান, মৃৎশিল্প সামগ্রী তৈরি করে সেগুলো বিক্রি করে আয় করতে পারে। ইন্টারনেট ও কম্পিউটার জ্ঞান ও সুযোগ থাকলে অনলাইনে কাজ করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

গৃহিণীরা তাদের আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা ব্যাংকে সঞ্চয় একাউন্ট খুলে সেখানে জমা রাখতে পারেন।

চাকরিজীবীদের টাকা সঞ্চয়ের উপায় বা কৌশল

চাকরিজীবীরা মাসের নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ বেতন পেয়ে থাকেন। বেতনের পরিমাণ কম হলে অনেকেরই নিজের ও পরিবারের খরচের পর টাকা সঞ্চয় করতে কষ্টকর হয়ে পড়ে। তবে চাকরির পাশাপাশি নিজে কোথাও ইনভেস্ট করে কিংবা পার্ট-টাইম ব্যবসায় করা যায় এমন কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা করতে পারলে বাড়তি আয় করা যায়। চাইকরি পেতে চাইলে প্রস্তুতি নিন, চাকরীর পরিক্ষা ও ইন্টারভিউ দিন।

চাকরীজীবীরা টাকা জমাতে চাইলে প্রথমেই আপনার খরচের খাতগুলো বের করুন। এবার আপনার একান্ত প্রয়োজন বাদে বাকি খাতগুলো চিহ্নিত করুন। সম্ভব হলে খরচের খাতগুলো থেকে কিছু খরচ কম করার চেষ্টা করুন। এবারে ব্যাংকে একটি আপনার সাধ্য অনুসারে একটি সঞ্চয়ী একাউন্ট বা ডিপিএস করুন। সেখানে মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখুন।

ধুমপান কিংবা বাজে কোন নেশা থাকলে আপনার জীবন এমনিতেই বরবাদ। এই সকল বাজে অভ্যাস আপনার অর্থ নষ্ট করার পাশাপাশি আপনার শারীরিক নানা ক্ষতির কারন। আর এজন্য নির্দিষ্ট সময় পড়ে ডাক্তারে চেম্বারে কিংবা হাসপাতালে অর্থ ব্যয় করতে হবে। আর ভোগান্তির শেষ থাকে না। পাশাপাশি মৃত্যুর পড়ে আজাব ফ্রি। তাই বাজে নেশা থাকলে আজই পরিহার করুন।

আরও পড়ুনঃ ধূমপান ত্যাগের উপায়

টাকা জমানোর জন্য আরও যেসকল কৌশল অবলম্বন করা উচিত

সম্মানিত ভিজিটর আমি জানি না আপ্নাই উপরের সব লেখা সময় নিয়ে পড়ছেন কিনা। উপরে আমরা আয় ও জমানোর একদম প্রত্যক্ষ উপায়গুলো আলোচনা করেছি। এপর্যায়ে চলুন টাকা জমানো জন্য আরও কিছু কৌশল ও টিপস জেনে নেওয়া যাক-

আয়ের পথ তৈরি

আয় না থাকলে ব্যয় কিংবা সঞ্চয় করা সম্ভব না। আপনি যতই স্বপ্ন দেখেন না কেন আপনার খরচের তুলনায় ব্যয় বেশি থাকলে আপনি অর্থ সঞ্চয় করতে পারেন না। তাই আগে আয়ের উৎস তৈরি করুন। উপরে আমরা আয়ের নানা উপায় শেয়ার করেছি। তবে অবৈধ পথে আয় করা থেকে বিরত থাকুন। এই আয় কোন না কোন সময় আপনার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে। আর মৃত্যুর পর আল্লাহ বিচার তো আছেই। সেদিন কেউ রক্ষা করবে না।

নোট করুন

মাসে কোন খাতে কি কি খরচ করবেন তা নোট করুন। মাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোথায় কতো টাকা খরচ করবেন তার একটি লিস্ট করুন। এটি আপনার ব্রেইনকে আর বেশি সচেতন করে তুলবে। পাশাপাশি এটি আপনাকে একটি ধারনা দিবে আপনি কোথায় প্রয়োজন ছাড়া খরচ করছেন।

অপচয় কমান

হাদিসে আছে অপচয়কারি শয়তানের ভাই। অপচায়কারিকে যে তাল দিয়ে অপচয় করায় সে বাদে অন্য কেউই পছন্দ করে না। আমরা খেয়ালে বেখেয়ালে বাসায় অযথা পানি, বিদ্যুৎ, খাবার নষ্ট করে থাকি। অপচয় করলে আপনি যতই আয় করেন না কেন আপনার জন্য আপনার আয় কোন বরকত নিয়ে আসবে না। ধরুন আপনি যদি প্রতি মাসে কারেন্ট বিল বাবদ ৫০, গ্যাস বিল বাবদ ৫০, খাবার নষ্ট না করে ১০০, রিকশা ভাড়া ১০০ সেভ করতে পারেন এভাবে আপনি মাসে ৫০০ টাকা কম অপচয় করলে আপনার বছর শেষে ৬০০০ টাকা থেকে যাবে। আপনি যদি ৫ বছর হিসাব করেন এভাবে রেস্টুরেন্ট, অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা করা থেকে বিরত থেকে বছরে কয়েক হাজার বাঁচিয়ে সে টাকা জমাতে পারেন।

লোক দেখানো বা শো-অফ করা বন্ধ করুন

আমাদের মাঝে এই রোগটি বেশ কমন। ওর হাতে ২০ হাজার টাকা দামের মোবাইল আমার নেই কেন। বাজেট নেই তবুও ধার দেনা করে দামি উপহার দেওয়া। হ্যা প্রয়োজন বিশেষ দেওয়া যেতে পারে। তবে আপনি কারও বার্থডে কিংবা কোন দাওয়াতে দামি উপহার নিয়ে চিন্তিত হওয়া থেকে বিরত থাকুন। যারা আপনার ছোট গিফট পেয়ে খুশি হয় না বা আপনার সাথে সম্পর্ক রাখতে চায় না। তাদের সবসময় এড়িয়ে চলুন। এরা আসলে আপনার আপন কেউ না। আপনার খারাপ দিনে এদের একজনকেও খুঁজে পাবেন না।

বাজার করার ক্ষেত্রে সচেতন হউন

সংসারের প্রয়োজনে আমাদের অনেক কিছু কেনাকাটা করতে হয়। মাসের বেসিক বাজারগুলো একই সাথে করুন। বাজারে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্র কেনা বাদ দিয়ে। বাসা থেকে একটি লিস্ট করে নিয়ে যান। চাইলে মোবাইলে নোটপ্যাডে লিখে নিয়ে যেতে পারেন। আজকাল অনলাইন শপে নানা ডিস্কাউন্ট পাওয়া যায়। সেগুলো লুফে নেওয়ার চেষ্টা করুন।

পোষাকে অপচয়

দামি ব্রান্ডের পোশাক না পরলে কিংবা আপনার বন্ধুর দেখা দেখি দামি ব্রান্ডের পোশাক পড়ার চিন্তা থেকে বিরত থাকুন। আপনার চলার জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক, অনুষ্ঠানের জন্য পোশাক মানসম্মত পোশাক কিনুন। জামা কাপড় নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। আয়রন করুন। আপনার পোশাক কেউ মনে রাখবে না, কিংবা বিপদের দিনে বন্ধু হবে না। আপনার সঞ্চয় থাকলে সেগুলো কাজে আসবে।

টাকা জমাতে চাইলে ঋণ করা বন্ধ করুন

ঋণ কতো খারাপ যে না করে সে বুজে না। হ্যা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ঋণ করতে হয় বা করে থাকি। আমি কোন এক সময় কিস্তিতে একটি ফ্রিজ ও অন্যান্য সামগ্রী ক্রয় করি। প্রায় ২ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। আমার মাসিক বেতন পাওয়ার সাথে সাথে সেই টাকা হতে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ঋণ পরিশোধ করার পর মাসের শেষের দিকে আবার চলার জন্য টাকা ঋণ করতে হতো। আবার ব্যাংক কিংবা সুধে ঋণ নিলে তার জন্য বাড়তি অর্থ প্রদান করতে হয়। তাই আগে জমিয়ে তা দিয়ে কেনার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনি ঋণ ও চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য সম্মত জীবন যাপন করুন

বিপদ অসুখ বলে আসে না। তবে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের খেসারত হিসেবে আমাদের জীবনে ডাক্তার, হাসপাতাল, ও ওষুধের পিছনে বহু টাকা খরচ করতে হয়। এভাবে আমাদের খেয়াল বেখেয়ালে বছরে প্রচুর টাকা নষ্ট হয়ে থাকে। হ্যা বার্ধক্য জনিত অসুস্থতার থাকলে তার সেবা অবশ্যই করতে হবে। তবে আমরা যদি স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করি তবে আমরা অনেক অর্থ সেভ করতে ও জমাতে পারি। যতোটুকু সম্ভব নিয়মিত ঘুমান, খাওয়া-দাওয়া ও ব্যায়াম করুন।

টাকা জমানোর টার্গেট নিন

জীবনের লক্ষ্য রচনা পড়তে পড়তে বাইয়ের পাতা ছিঁড়ে গেছে অনেকের তবে লক্ষ্য আর ছোঁয়া হয় নি। এর কারন হচ্ছে না বুজে আর সেদিন শুধু মুখুস্ত করেছি। সেদিনের টার্গেট ছিল মুখস্ত করে লিখে বেশি নম্বর পাওয়া। যাহোক টার্গেট নিয়ে পড়ার কারনে নাম্বার বেশি পেয়েছিলাম। ঠিক আপনি টাকা জমাতে চাইলে আজই টার্গেট নিন যে আপনি এটা জমিয়ে কিছু একটা করবেন।

আজ থেকেই টাকা জমানো শুরু করুন

আজ না কাল থেকে করবো বল বলে আমাদের জীবনে অনেক কিছুই না করা রয়ে গেল। আপনি আজ যেটা শুরু করবেন না দেখবেন কেউ না কেউ শুরু করে দিয়েছে। টাকা জমাতে চাইলে আজ থেকেই শুরু করুন। প্রয়োজনে মাটির কিংবা প্লাস্টিকের ব্যাংকে ৫ টাকা দিয়ে শুরু করুন। দেখবেন আপনার এই ক্ষুদ্র সঞ্চয় একদিন বড় অংকের টাকায় পরিনত হয়েছে।

সর্বশেষ

প্রিয় ভিজিটর, টাকা জমানোর জন্য নানা উপায় আছে। তবে সবার আগে আপনার টাকা আয় করার পথ তৈরি করতে হবে। হালাল পথে আয়-উপার্জন করুন, টার্গেট নিন, বাজে খরচ বন্ধ করুন, আজ থেকেই টাকা জমানো শুরু করুন। আমি বিশ্বাস করি উপরের উপায়গুলো অনুসরন করলে আপনিও টাকা জমিয়ে আপনার কিছু কেনার কিংবা করার স্বপ্ন পুরন করতে পারেবন।

সম্মানিত ভিজিটর, আমাদের লেখা নিয়ে আপনার কোন মতামত, অভিযোগ, অনুযোগ, কিংবা পরামর্শ থাকলে শেয়ার করতে পারেন আমাদের সাথে।  আমরা আপনার মতামত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবো। আমাদের লেখা ভাল লাগলে শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষদের মাঝে। সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন, আল্লাহকে স্মরণ করুন।