https://tipswali.com/wp-content/uploads/2022/02/islami-bank-loan.jpg

বাংলাদেশে যতগুলো ব্যাংক রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি জনপ্রিয় ব্যাংক হল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (Islami Bank Bangladesh Limited)। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ। ইসলামী ব্যাংক মূলত একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড লোনের বিষয়টিকে বিনিয়োগে রূপান্তর করেছে। অর্থাৎ তারা সরাসরি লোন প্রদান করে করে, তাদের মতে আপনি যদি আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতির করতে চান তবে এজন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে নির্দিষ্ট মেয়াদে ও নুন্যতম শর্ত এবং কাগজপত্র জমাদান করে বিনিয়োগ পেতে পারেন।

আমাদের দেশে যতগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে তার থেকে ইসলামী ব্যাংক একটু ভিন্ন। ইসলামী ব্যাংকের লোন পদ্ধতি অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় সহজ ও সুদের হার কম হওয়ায় এই ব্যাংকের জনপ্রিয় তা দিন দিন বেড়েই চলছে।

প্রিয় ভিজিটর আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকে আছেন যারা কিনা সহজ পদ্ধতিতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড হতে ঋণ নিতে আগ্রহী। তাই আজকের লেখা জুড়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর লোন পদ্ধতি, লোনে সুদের হার ও লোনের মেয়াদ, আবেদনের জন্য যে সকল কাগজপত্র প্রয়জন ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর লোন সম্পর্কিত অনন্য বিষয়।

Table of Contents

নিচে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর লোন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল–

১) পারিবারিক বিনিয়োগ প্রকল্প (Household Investment Scheme)

বাংলাদেশে বসবাসরত স্থায়ী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি করতে এবং গৃহস্থলী সামগ্রী যেমন- ইলেকট্রনিক্স এবং বৈদ্যুতিক পন্য, বাই/মোটর সাইকেল, আসবাবপত্র, অলঙ্কার, চিকিৎসা এবং প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের জন্য যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ৩ বছর মেয়াদে হাউজহোল্ড বিনিয়োগ প্রদান করে থাকে। চলুন এপর্যায়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড পারিবারিক বিনিয়োগ প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক-

  • লোনের মেয়াদ ৩ বছর।
  • সুদের হার ১৬% (তবে কম হতে পারে)
  • মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ, জেলা ও পৌরসভা এলাকায় সর্বোচ্চ ২ও লক্ষ এবং অন্যান্য এলাকায় সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা
  • মোট খরচের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ ব্যাংক বিনিয়োগ হিসেবে প্রদান করবে।

২) ট্রান্সপোর্ট ইনভেস্টমেন্ট স্কিম

বাংলাদেশে বিদ্যমান পরিবহন সমস্যা লাগবে ও দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ব্যবসায় বাণিজ্য ও শিল্পের প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড পরিবহন লোন প্রদান করে থাকে।

  • ব্যাক্তি, ব্যবসায়ী কিংবা ব্যবসায় যার পরিবহন খাতে অভিজ্ঞতা রয়েছে, সংশ্লিষ্ট খাতের অফিসিয়াল বা বাণিজ্যিক ব্যবহার, প্রতিষ্ঠিত হাসপাতাল ও ক্লিনিকের জন্য এই লোন প্রয়ান করে থাকে।
  • বাস, ট্রাক, মিনিবাস, ডাবল ডেকার, প্রাইভেটকার, মাইক্রো বাস, অটো রিকশা, পিকআপ ব্যান, হিউম্যান হোলার, বাকু, ভেসেল ইত্যাদি কেনার জন্য এই বিনিয়োগ করে থাকে।
  • বিনিয়োগের সময়কাল সর্বোচ্চ ৩ বছর।
  • সুদের হার ১৬% বা ব্যাংক নির্ধারিত।
  • গাড়ির ধরনের উপর নির্ভর করে মোট খরচের বা মুল্যের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিনিয়োগ বা লোন প্রদান করে থাকে।
  • সিকিউরিটি হিসেবে- ক্রয়কৃত যানবাহন, স্থাবর সম্পত্তি, টিডিআর/এমএসএস এর মার্কিং লিয়ন, ব্যাক্তিগত গ্যারান্টার থাকতে হবে।

৩) ইসলামী ব্যাংক ব্যাক্তিগত হোম লোন (রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম)

প্রিয় ভিজিটর আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকের স্বপ্ন আছে নতুন একটা শখের বাড়ি করা কিন্তু টাকার অভাবে আপনার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারছেন না, আর তাই আপনাদের শখের বাড়িটি তৈরিতে সাহায্য করতে, ফ্ল্যাট কিংবা তৈরি ভবন ক্রয়, বাড়ি সম্প্রসারণ সংস্কার, লিফট কিংবা জেনারেটর কেনার জন্য ইসলামী ব্যাংক দিচ্ছে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত লোন সুবিধাপ্রদান করে থাকে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ব্যাক্তিগত হোম লোন পেতে যে সকল শর্ত রয়েছে তা হল-

  • নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সম্পূর্ণ খরচের ৬০% সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা, ফ্ল্যাট কিংবা এপার্টমেন্ট ক্রয়ের জন্য ৫০% সর্বোচ্চ ৭৫ লক্ষ, নির্মিত বাড়ি ক্রয়ের জন্য ৫০% সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা লোন নিতে পারবেন।
  • যারা যারা ইসলামী ব্যাংক হোম লোন নিতে পারবে তারা হল- জমির মালিক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, প্রবাসী ও অন্যান্য বৈধ আয় করা ও লোন পরিশোধে সক্ষম হোম লোনের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হইবে।
  • লোন পরিষদেরে সময়কাল সর্বোচ্চ ১৫ বছর ( পরিবর্তনীয়)
  • ইসলামী ব্যাংক হোম লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা হিসাবে যা যা প্রয়জন তা হল- জমি/ভবন/ফ্ল্যাটের নিবন্ধিত বন্ধক, ব্যাক্তিগত গ্যারান্টি, অতিরিক্ত নিরাপত্তা হিসেবে এমএসএস/টিডিআর ইত্যাদি।
  • সুদের হার ১৫% বা ব্যাংক নির্ধারিত ইন্টারেস্ট রেট।

৪) কার ইনভেস্টমেন্ট স্কিম – ইসলামী ব্যাংক কার লোন

বিভিন্ন পেশাদার ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত কিংবা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক নির্বাহীদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড কার ইনভেস্টমেন্ট স্কিম চালু করেছে। অর্থাৎ আপনি গাড়ি ক্রয়ের জন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারবেন। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর কার লোনের শর্ত সমূহ ও যোগ্যতা-

  • রিকন্ডিশন, নতুন কার, কাইক্রো, জীপ, অটো ইত্যাদি কেনার জন্য এই লোন বা বিনিয়োগ পাবেন।
  • রিকন্ডিশন গাড়ির কেনার লোনের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৪ বছর এবং একদম নতুন গাড়ির লোনের মেয়াদ ৫ বছর।
  • সুদের হার ব্যাংক দ্বারা নির্ধারিত।
  • তবে রিকন্ডিশন গাড়ির লোনের জন্য ২ কোটি টাকা এবং নতুন গাড়ির জন্য ৩ কোটি টাকা।
  • গ্রাহকের বয়স নুন্যতম ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬৫ বছর এর মধ্যে হতে হবে।

৫) রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ (বাণিজ্যিক এবং কার্যকরী মূলধন)

আপনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকলে অর্থাৎ ভবন ক্রয় বিক্রয় ব্যবসায়ের জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর নিকট থেকে রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ পেতে পারেন। ডেভেলপারদের জন্য সর্বোচ্চ ৪ বছর এবং বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের জন্য সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ বছর মেয়াদে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ ও ব্যাবসায়ের জন্য এরি লোন প্রদান করে থাকে।

  • ডেভেলপারদের জন্য নির্মাণ খরচের সর্বোচ্চ ৩০% এবং ডেভেলপার ব্যাতিত বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের জন্য নির্মাণ ব্যায়ের সর্বোচ্চ ৫০% (১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা), বাণিজ্যিক ভবন বা জমি ক্রয়ের জন্য ক্রয় মুল্যের ৫০% রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ প্রদান করে থাকে।
  • স্বনামধন্য ডেভেলপার এবং ব্যবসায়ীরা এই লোনের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
  • রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ সুদের হার ১৬% (পরিবর্তন যোগ্য)

৬) ছোট ব্যাবসায় লোন (Small Business Investment Scheme)

গ্রাম ও শহর অঞ্চলে বেকারত্ব দূর করার লক্ষ্যে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ের প্রসার ঘটাতে বৈধ ট্রেড লাইসেন্সধারী বেকার যুবক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড লোন প্রদান করে থাকে।

  • বিনিয়োগ সময়কাল সর্বোচ্চ ১ বছর এবং এইচপিএসএম-এ সর্বোচ্চ ২ বছর।
  • প্রত্যাবর্তন হার ১৫% বা ব্যাংক দ্বারা নির্ধারিত।
  • মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ, জেলা ও পৌরসভার জন্য সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ এবং অন্যান্য এলাকায় সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে থাকে।

৭) ক্ষুদ্র শিল্প ইনভেস্টমেন্ট স্কিম

বাংলাদেশে শিল্পের ভিত্তির তৈরি করতে এবং বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা, ডিগ্রীধারী এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান আছে এমন ব্যাক্তিদের লোন প্রদান করে থাকে। মূলত খাদ্য ও কৃষি, প্লাস্টিক এবং রাবার, বনজ ও আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র, পোশাক, কম্পিউটার প্রযুক্তি ও অন্যান্য শিল্প স্থাপনের জন্য এই লোন বা বিনিয়োগ করে থাকে।

  • লোনের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১ বছর এবং এইচপিএসএম- এর জন্য মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩ বছর। মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য গর্ভকালীন সময় ব্যাতিত হিসাব করা হবে।
  • যে কোন মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা, জেলা ও পৌরসভার জন্য সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করে থাকে।
  • মোট খরচের সর্বোচ্চ ৮০% ব্যাংক বিনিয়োগ করে থাকে।
  • সিকিউরিটি হিসেবে ১ লক্ষ টাকার বেশি স্থাবর সম্পত্তি, মেসিনারি ইত্যাদি থাকতে হবে।

৮) কৃষি ঋন

আমাদের দেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এদেশে প্রায় ৭০% লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। এসকল দিক বিবেচনা করে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও কৃষিকে আর উন্নত করতে Islami Bank Bangladesh Ltd. কৃষি ঋণ হিসাবে দিচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা। কৃষি ঋণ পেতে যে সকল শর্ত রয়েছে তা হল-

  • ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা।
  • কৃষি ঋণ পরিষদের সময়কাল ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর তবে ব্যাংক চাইলে কমাতে বা বাড়াতে পারে।
  • ইসলামী ব্যাংকে কৃষি ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা হিসাবে ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জমা থাকতে হবে।

৯) অনাবাসী বাংলাদেশী উদ্যোক্তা বিনিয়োগ স্কিম

ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহকে উৎসাহিত করার জন্য এবং অর্থ পাচার রোধে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি লখ্যে বাংলাদেশের অনাবাসী বা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে বসবাস করে এমন বাংলাদেশী কিংবা তাদের পরিবারের সদস্যদের যারা রেমিট্যান্সের এ/সি বজায় রেখেছে তাদের এই ধরনের লোন সুবিধা প্রদান করে থাকে। এই লোনের মেয়াদকাল সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং কার্যকরী মূলধন ও ট্রেড ফাইন্যান্সিং এর জন্য সর্বোচ্চ ১ বছর।

  • বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকা হতে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত।
  • আবেদন কারীর বয়স ১৮ বছর থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • ৫ লক্ষ টাকার উপরে হলে ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে জামানত ও গ্যারান্টার থাকতে হবে।

আরও পড়ুনঃ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন, আবেদনের নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফরম

১০) মহিলা উদ্যোক্তা বিনিয়োগ স্কিম

দেশের মহিলাদের জন্য বিনিয়োগ সুবিধা প্রসারিত করে সমাজের নারীদের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য ও নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বিনিয়োগ করে থাকে। সর্বোচ্চ ৫ বছর মেয়াদের ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন প্রদান করে থাকে।

  • আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৫০ বছর হতে হবে।
  • ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোন জামানত প্রয়োজন নাই।

লোনের মেয়াদের তালিকা

লোনের ধরণসর্বোচ্চ মেয়াদ
পারিবারিক বিনিয়োগ প্রকল্প৩ বছর
ট্রান্সপোর্ট লোন৩ বছর
ব্যাক্তিগত হোম লোন১৫ বছর
রিয়েল এস্টেট লোন১০ বছর
কার লোন৫ বছর
ছোট ব্যাবসায় লোন২ বছর
ক্ষুদ্র শিল্প৩ বছর
কৃষি ঋন৫ বছর
অনাবাসী বাংলাদেশী লোন১০ বছর
মহিলা উদ্যোক্তা৫ বছর
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড লোনের মেয়াদের তালিকা

জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বাইক লোন প্রদান করে?

হ্যা, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বাইক কেনার জন্য লোন প্রদান করে থাকে।

ইসলামী ব্যাংক স্যালারি লোন প্রদান করে থাকে?

মূলত স্যালারির উপর ভিত্তি করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বিভিন্ন ব্যাক্তিগত লোন প্রদান করে থাকে। ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী লোন পরিশোধে সক্ষম ব্যাক্তি এই বিনিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারেন।

আবেদনের নিয়ম

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড হতে লোন পেতে আপনার নিকটস্থ যেকোন শাখায় লোন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করুন। তবে মনে রাখবেন আলাপকালীন সময়ে লোনের পরিবর্তে তাদের বলুন যে আপনার বিনিয়োগ প্রয়োজন। যে কোন জিজ্ঞাসা থাকলে সরাসরি জিজ্ঞাসা করবেন আশা করছি তারা আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সম্পূর্ণ সহায়তা করবে।

সর্বশেষ

সম্মানিত ভিজিটর আশা করছি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (Islami Bank Bangladesh Ltd) এর বিভিন্ন লোন বা বিনিয়োগ সম্পর্কে আপনারা ধারণা পেয়ে গেছেন। আমাদের লেখা নিয়ে আপনার কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা কিংবা মতামত থাকলে শেয়ার করুন আমাদের সাথে।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে সকল ব্যাংকের ডিপিএস এর লাভের তালিকা